মহাদেবের চোখের অশ্রু থেকেই উৎপত্তি হয়েছিল রুদ্রাক্ষের। একারনে রুদ্রাক্ষকে শিবের অংশ বলে মনে করা হয়। যেহেতু রুদ্রাক্ষের উৎপত্তির কারণ স্বয়ং শিব, তাই মানব জীবনেও রুদ্রাক্ষের প্রভাব অস্বীকার করা যায় না। তাছাড়া একথা প্রমাণিত যে, রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে শিবের আশীর্বাদ লাভ করা যায় এবং জাতক জাতিকার জীবনের নানান সমস্যার সমাধান হয়।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সকল রুদ্রাক্ষ এক প্রকারের নয়। অর্থাৎ প্রায় ৩৮ প্রকারের রুদ্রাক্ষের দেখা মেলে আমাদের দেশে। আর যে কোন ব্যাক্তি যে কোন প্রকারের রুদ্রাক্ষ ধারণ করলেই কিন্তু আশানুরূপ ফল মেলে না। হতে পারে রুদ্রাক্ষ এক অমৃত ফল স্বরূপ যা মানুষের জীবন প্রভূত উন্নতির কারক। কিন্তু আপনার রাশি অনুযায়ী সঠিক রুদ্রাক্ষটিকে সঠিক নিয়ম ও মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে ধারন করলেই কেবল আপনার আত্মিক ও শারীরিক উন্নতি তথা নানাবিধ উপকার প্রাপ্ত হবেন। অন্যথায় উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। তাই আসুন জেনে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকার জন্য, কোন কোন উদ্দেশ্যে কোন কোন প্রকারের রুদ্রাক্ষ ধারণ করার বিধান দিয়েছে আমাদের প্রাচীন জ্যোতিষ শাস্ত্র। আর ভিডিওর একেবারে শেষে রইল রুদ্রাক্ষ সঠিভাবে ধারণ করার সঠিক নিয়ম এবং মন্ত্র।
মেষ রাশি
আপনি যদি মেষ রাশির জাতক বা জাতিকা হয়ে থাকেন, তাহলে প্রকৃতিগতভাবেই আপনি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ। একারনে আপনার পরিবারে যদি একাধিক মেষ রাশির জাতক জাতিকা থেকে থাকেন তাহলে তাঁদের সাথে আপনার নিয়মিতভাবে মতপার্থক্য হতে পারে। তবে আপনি যদি আপনার গৃহের সুখশান্তি বজায় রাখতে চান, তাহলে ছয় মুখী, নয় মুখী, তেরো মুখী অথবা চৌদ্দ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। আপনার সঞ্চয় বৃদ্ধি বা সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধির জন্য জন্য এগারো মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। আপনার সন্তান যদি অবাধ্য হয় তাহলে তাকে বাধ্য করার জন্য পাঁচ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। তাছাড়া কর্মে সফলতা প্রাপ্তি ও যশ ও মান বৃদ্ধি করার জন্য সাত মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। আপনার সার্বিক ভাগ্যের উন্নতির জন্য একটি ক্রিস্টাল মালার সাথে চারমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। এছাড়াও জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, মেষ রাশির জাতক জাতিকাদের জন্য এক মুখী, তিন মুখী বা পাঁচ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা শুভ।

বৃষ রাশি
রাশিচক্রের দ্বিতীয় ঘর হল বৃষ রাশি। বৃষ রাশিতে চন্দ্র উচ্চস্থ থাকার কারনে এই রাশির জাতক/জাতিকারা সাধারণতঃ শারিরীক ও মানসিকভাবে বলশালী হয়ে থাকেন। তবে প্রকৃতিগতভাবে আপনি বলশালী হলেও বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে আপনার জন্য রুদ্রাক্ষ ধারণ করা শুভ। উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি আপনার কর্মক্ষেত্রে মান ও যশ বৃদ্ধি করতে চান তাহলে ৭ মুখী বা ৪ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। আপনার মধ্যে আর্থিক সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি করার জন্য এবং অবাধ্য সন্তানকে বশে আনার জন্য ৯ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। ব্যবসায় সফলতা অর্জন করার জন্য আপনার জন্য উপযুক্ত রুদ্রাক্ষ হচ্ছে ১৪ মুখী রুদ্রাক্ষ। এবং সুস্থ শরীর ও সুস্বাস্থ্যর জন্য ধারন করতে পারেন এগারোমুখী রুদ্রাক্ষ। তাছাড়া জীবনে শুভ ফলাফল লাভ করার জন্য ৬ মুখী রুদ্রাক্ষ পরিধানের বিধান দিয়ে থাকেন জ্যোতিষ শাস্ত্র বিশারদরা।

মিথুন রাশি
রাশিচক্রের তৃতীয় ঘর হল মিথুন রাশি। বুধ গ্রহের ঘরে এই রাশিতে রাহু উচ্চস্থ। দ্বিত মানসিকতার জাতক জাতিকারা সাধারণত ব্যবসায়ী মানসিকতার হয়ে থাকেন। তাই আপনি যদি আর্থিক ভাবে সামর্থবান হতে চান তাহলে ১৪ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। আপনি যদি ব্যবসায়ে সফলতা পেতে চান তাহলে ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। আপনার সন্তানের স্মরণ শক্তি বাড়ানোর জন্য ধারণ করতে পারেন এগারোমুখী রুদ্রাক্ষ। আপনি যদি শরীর এবং মনের প্রশান্তি কামনা করেন তাহলে ৫মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা আপনার জন্য ফলপ্রদ। তাছাড়া মিথুন রাশির জাতক-জাতিকারা যদি ১৩ মুখী রুদ্রাক্ষে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করিয়ে ধারণ করেন তাহলে সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে থাকে।

কর্কট রাশি
রাশিচক্রের চতুর্থ ঘর হচ্চে কর্কট রাশি। এটি চন্দ্রের স্বগৃহ এবং বৃহস্পতি গ্রহ এই ঘরে উচ্চস্থ। আপনি যদি কর্কট রাশির জাতক জাতিকা হয়ে থাকেন তাহলে নিশ্চই নিজের মধ্যে হঠাৎ মাথা গরম হওয়া এবং হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার মত বৈশিষ্ট্য লক্ষ করে থাকবেন। এগুলো থেকে মুক্তি পেতে ধারণ করতে পারেন ৪মুখী রুদ্রাক্ষ। আপনার মানসিক প্রশান্তির জন্য ধারণ করুন ১১ মুখী রুদ্রাক্ষ। আপনি যদি আপনার কর্মস্থলে মান ও যশ বৃদ্ধি করতে চান তাহলে ১৪ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য উত্তম। আপনি যদি ব্যাবসায়ী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ব্যবসার উন্নতিকল্পে ৪ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারন করা আপনার জন্য শুভ। তাছাড়া কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের সার্বিক ভাগ্যোন্নতির জন্য ৩ মুখী, ২ মুখী, ৫ মুখী অথবা গৌরী শঙ্কর রুদ্রাক্ষ ধারণ করার বিধান দেওয়া হয়ে থাকে।

সিংহ রাশি
রাশিচক্রের পঞ্চম ঘর হল সিংহ রাশি। এটি রবি গ্রহের স্বগৃহ। এই রাশির জাতক জাতিকারা কিছুটা জেদী মানসিকতার হয়ে থাকেন। এঁরা সাধারনত স্বল্পভাষী হয়ে থাকেন এবং কর্মজীবনে বা কর্মক্ষেত্রে উচ্চপদে অবস্থান করে থাকেন। আপনি যদি একজন সিংহ রাশির জাতক বা জাতিকা হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্যও রয়েছে বিভিন্ন রকমের রুদ্রাক্ষ ধারণের বিধান। আপনার শারীরিক সুস্থতার জন্য ধারণ করতে পারেন ১২ মুখী রুদ্রাক্ষ, আপনি যদি আর্থিক সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি করতে চান তাহলে ১ মুখী বা ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য ফলপ্রসূ। আপনার কর্মস্থলে মান ও যশ বৃদ্ধির জন্য ১১ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা উচিত। ব্যবসায় উন্নতি করতে চাইলে ৪ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা আপনার পক্ষে উত্তম। তাছাড়া আপনারা গৃহে শান্তির জন্য এবং সার্বিক ভাগ্যোন্নতির জন্য ১৪ মুখী, ৩ মুখী ও ৫ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণের পরামর্শ দিয়ে থাকে জ্যোতিষ শাস্ত্র।

কন্যা রাশি
রাশিচক্রের ষষ্ঠ ঘর হল কন্যা রাশি। প্রকৃতিগতভাবে এই রাশির জাতক-জাতিকারা খুবই নরম মনের মানুষ হয়ে থাকেন। এটি বুধ গ্রহের স্বগৃহ এবং বুধ গ্রহ নিজেই এই রাশিতে উচ্চস্থ থাকে। আপনি যদি কন্যা রাশির জাতক-জাতিকা হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্যও রয়েছে রুদ্রাক্ষ ধারণের বিশেষ বিধান। আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে সাফল্য এবং কর্মস্থলে বিশেষ সুনাম অর্জন করতে চান তাহলে ধারণ করতে পারেন ৪ মুখী রুদ্রাক্ষ। আপনার শারীরিক সুস্থতার জন্য ৯ মুখী রুদ্রাক্ষ বিশেষভাবে উপকারী। এবং ব্যবসায় উন্নতি করতে, দাম্পত্যকলহ এড়াতে এবং বিবাহিত জীবনে শান্তির জন্য ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য বিশেষ আশির্বাদ স্বরূপ। তাছাড়া কন্যা রাশির সার্বিক উন্নতিকল্পে ৫ মুখী ও ১৩ মুখী রুদ্রাক্ষ বিশেষভাবে ফলপ্রদ।

তুলা রাশি
রাশিচক্রের সপ্তম ঘর হচ্ছে তুলা রাশি। এটি শুক্র গ্রহের স্বগৃহ এবং এবং শনি গ্রহ এই রাশিতে উচ্চস্থ। তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত শিল্পী মনের অধিকারী হয়ে থাকেন। এবং এ রাশির জাতক জাতিকাদের জন্যও রয়েছে রুদ্রাক্ষ ধারণের বিশেষ নিয়ম কানুন। আপনি যদি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার ইচ্ছা পোষন করেন তাহলে ১২ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য বিশেষভাবে কার্যকারী। আপনার কর্মে উন্নতি এবং ভাগ্যোন্নতির জন্য ধারণ করতে পারেন ৬ মুখী রুদ্রাক্ষ। আপনার ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য ১৪ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা শুভ মানা হয়। আপনার মানসিক শান্তির জন্য ধারণ করতে পারেন ৪ মুখী রুদ্রাক্ষ এবং কর্মস্থলে মান ও যশ বৃদ্ধির জন্য ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা আপনার জন্য উত্তম।

বৃশ্চিক রাশি
রাশিচক্রের অষ্টম ঘর হচ্ছে বৃশ্চিক রাশি। এটি মঙ্গল গ্রহের স্বগৃহ এবং এস্থানে চন্দ্র গ্রহ নীচস্থ হয়ে থাকে। এই রাশির জাতক-জাতিকারা প্রকৃতিগতভাবেই হতাশাগ্রস্ত মনের অধিকারী হয়ে থাকেন। তাই হতাশা দূর করে আপনার কর্মে সাফল্য পেতে হলে ১৩ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য ম্যাজিকের মত কাজ করতে পারে। আপনি যদি আপনার কর্মস্থলে নাম-যশ পেতে ইচ্ছা পোষন করে তাহলে ১২ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য বিশেষভাবে ফলপ্রদ। আর্থিকভাবে সাফল্য অর্জন করতে হলে আপনি ধারণ করতে পারেন ৯ মুখী রুদ্রাক্ষ। অর্থ সঞ্চয় করার প্রবণতা বৃদ্ধি করতে ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য বিশেষভাবে উপকারী। তাছাড়া মানসিক শান্তি পেতে এবং ভাগ্যোন্নয়ন করার জন্য ধারণ করতে পারেন ৪ মুখী রুদ্রাক্ষ। এছাড়াও জীবনে স্থায়ী সুখ-সমৃদ্ধি লাভের কামনা করলে ৩ মুখী, ৫ মুখী বা গৌরী-শঙ্কর রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন।

ধনু রাশি
রাশিচক্রের নবম ঘর হচ্ছে ধনু রাশি। এটি বৃহস্পতি গ্রহের স্বগৃহ এবং এই রাশিতে কেতু গ্রহ উচ্চস্থ হয়ে থাকে। এই রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত মেজাজী মনের অধিকারী হয়। একারনে যাপিত জীবনে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন তাঁরা। তাই আপনার ব্যবসা এবং কর্মক্ষেত্রে মান পেতে এবং নিজের নিজের ভাগ্যকে উন্নত করতে ৩ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। আপনার সন্তানের উন্নতির জন্য ধারণ করতে পারেন ৫ মুখী রুদ্রাক্ষ। এবং আপনার কর্মক্ষেত্রে উন্নতির জন্য ধারণ করতে পারেন ১১ মুখী রুদ্রাক্ষ। এগুলো ছাড়াও ধনু রাশির জাতক জাতিকাগন তাঁদের ব্যবসায় উন্নতির জন্য, দাম্পত্যকলহ এড়াতে এবং বিবাহিত জীবনে শান্তির জন্য ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে ১ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণেও ধনু রাশির জাতক জাতিকাগণ সুখ ও সমৃদ্ধি লাভ করে থাকেন।

মকর রাশি
রাশিচক্রের দশম ঘর হল মকর রাশি। এটি শনি গ্রহের স্বগৃহ এবং এই রাশিতে মঙ্গল গ্রহ উচ্চস্থ হয়ে থাকে। মকর রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত অন্তরমুখী মনের অধিকারী হয়ে থাকেন। তাই আপনি যদি ভগবান শিবের আশির্বাদে ভাগ্যোন্নয়ন করতে চান তাহলে ৯ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। আপনার ফাটকা কারবারে উন্নতি করতে এবং কর্মস্থলে মান ও যশ পেতে ধারণ করুন ১১ মুখী রুদ্রাক্ষ। সাধারণ ব্যবসায় উন্নতি করতে হলে ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা আপনার পক্ষে উত্তম। আপনি যদি মানসিক শান্তি পেতে কামনা করেন তাহলে ১৪ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। তাছাড়া সার্বিক উন্নতির জন্য ধারণ করতে পারেন ৪ মুখী বা ৬ মুখী রুদ্রাক্ষ।

কুম্ভ রাশি
রাশিচক্রের একাদশ ঘর হচ্ছে কুম্ভ রাশি। এবং গ্রহরাজ শনি গ্রহের স্বগৃহ হচ্ছে এই রাশি। এই রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত উদার মনের অধিকারী হয়ে থাকেন। এবং তাঁদের এই উদারতাই তাদেরকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন করে তোলে। তাই নিজের ব্যক্তিত্বকে আরও উন্নত করতে চাইলে ধারণ করতে পারেন ১২ মুখী রুদ্রাক্ষ। আপনি যদি অর্থনৈতিক উন্নতি করতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তাহলে ৮ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা উত্তম। আপনার কর্মক্ষেত্রে মান ও যশ বৃদ্ধি করতে ধারণ করতে পারেন ১৪ মুখী রুদ্রাক্ষ। এবং আপনি যদি মানসিক শান্তি ও ভাগ্যোন্নয়ন করতে ইচ্ছা করেন তাহলে ১১ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য বিশেষ উপকারী। তাছাড়া জীবনের সার্বিক কল্যান ও উন্নতি সাধনে ৪ মুখী ও ৬ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা আপনার জন্য শুভ।

মীন রাশি
রাশিচক্রের দ্বাদশ এবং সর্বশেষ ঘর হচ্ছে মীন রাশি। এটি বৃহস্পতি গ্রহের স্বগৃহ এবং এই রাশিতে শুক্র গ্রহ উচ্চস্থ হয়ে থাকে। এই রাশির জাতক-জাতিকারা প্রকৃতিগতভাবে সাত্ত্বিক মনের অধিকারী হয়ে থাকেন। মীণ রাশির জাতক জাতিকাগণ বুদ্ধির বিকাশের জন্য ধারন করতে পারেন ১৩ মুখী রুদ্রাক্ষ। আপনার ব্যবসায় উন্নতি, অর্থ সঞ্চয়, ভাগ্যোন্নয়ন এবং মানসিক শান্তির জন্য ৯ মুখী রুদ্রাক্ষ আপনার জন্য বিশেষভাবে উপকারী। আপনি যদি কর্মস্থলে যশ ও মান পেতে চান তাহলে ধারণ করুন ৭ মুখী রুদ্রাক্ষ। এছাড়াও আপনার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ৩ মুখী, ৫ মুখী বা গৌরী-শঙ্কর রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন।

এবার আসুন রুদ্রাক্ষ ধারণ করার নিয়ম কানুনগুলো জেনে নেওয়া যাক।
- ১. অমাবস্যা, পূর্ণিমা ও সোমবারে রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে হবে।
- ২. রুদ্রাক্ষ শুধুমাত্র লাল সুতো বা হলুদ সুতোয় পরিধান করতে হবে।
- ৩. রুদ্রাক্ষ পরিধান করার আগে অবশ্যই স্নান করতে হবে।
- এবং ৪. রুদ্রাক্ষ পরিধান করার সময় নিরন্তর “ওম নম শিবায়” মন্ত্রটি জপ করতে হবে।